Posts

Short poem(ছোটো কবিতা)

Image
    বাস্তবতার মাঝে সুখের লুকোচুরি ভঙ্গি,       বারবার খোঁজে লুকোচুরি খেলার সঙ্গী।    কাউকে করে প্রিয় কাউকে দূরে ঠেলে,   কাউকে সাজায় হাসি-খুশি কাউকে অশ্রুজলে            যখন আসে হাজার আলোর মাঝে,             করে তোলে জীবন রঙিন।        যখন করে প্রস্থান, করে দেয় সঙ্গীহিন।      তার উপস্থিতি নিশীরাতে সুন্দর ভাবনা,                  অনুপস্থিতির প্রহরে চলে অশ্রু জলের সাধনা। যাওয়া আসার এই নিয়মে সকলের চাহিদায়,     শুধু তার নাম জপ জীবনের কিনারায়।    চাহিদার শেষ প্রান্তে শুধু ফোঁটে তার নাম,      বারবার অভিযাত্রীর ন্যায় করে অভিযান।    তার আশায় দুখী মানব সরল অপেক্ষায়,        ছুঁতে চায় তাকে আনন্দের প্রতিক্ষায়।      অদ্ভুত রূপ তার করায় চাক্ষুষ,    হাসি কান্না তার শরিক, তার ইচ্ছায় ইচ্ছুক।   ...

একটি মিষ্টি মেয়ে

Image
সরস্বতী পুজোর সকালটা মেয়েটার কাছে ছিল বেশ হাসি খুশি, ঘুম থেকে উঠে চটজলদি স্নান সেরে সুন্দর ভাবে নিজেকে সাজিয়ে নেওয়া। কারো কাছে সে স্বপ্নের রাজকন্যা হলেও বাস্তবে সে কোনো রাজকন্যা নয় বরং হাসি খুশি সমৃদ্ধ মিষ্টি এক  মেয়ে, ঠাকুরের কাছে তার পুষ্পাঞ্জলি উৎসর্গই প্রমান করে তার মনে জমে থাকা শ্রদ্ধা ও ভক্তি গুলোই। সে সবার থেকে আলাদা, সে আলাদা এই মুখোশধারী সমাজের মানুষগুলোর থেকেও। পরনে নীল সারি হাল্কা লিপস্টিক গলায় এক সুন্দর হার এই ছিল তার স্পেশাল দিনটির সাজ। মেয়েটি ঘুরতে খুব ভালোবাসে, ভালোবাসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতিফলন গুলিকেও। বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন মন্ডপে মেয়েটির উপস্থিতি বারবার হাজারটা পুরুষের মনে ঝরের সঞ্চার করে, মেয়েটির মনে এসব কে পাত্তা না দেওয়ার ভ্রম ই কাজ করে সবসময়। তার উদ্দেশ্যের মধ্যে থাকে বন্ধুত্বের সাথে অনেকটা আনন্দ ও বিপুল খুনসূটি, অতি সাধারণ মানুষের ন্যায় সবসময় হাসি খুশি তে ব্যস্ত থাকে সে, অহংকারের ঘরে তার প্রবেশ নিষেধ। সে সত্যিই অনেকটা আলাদা, সে অনেকটাই আলাদা এই নিষ্ঠুর সমাজের থেকে। তার মনে জমে থাকা কষ্ট গুলো সামনে আসতে কখনোই দেয় না সে বরং লোকের কষ্ট প্রতি...

💖তোর আমার বন্ধুত্ব 💖

Image
তোর আমার বন্ধুত্ব 💗 শীতের পড়ন্ত বিকেলে মোবাইল টা ঘাটতে ঘাটতে হঠাৎ করে অনলাইনে চোখ যেতেই দুষ্ট মিষ্টি এক মেয়ের পাগল করা উপস্থিতি যেন বাধ্য করে এক ছোট্ট ম্যাসেজের, শুরু হয় কথাবার্তা। এভাবে চলতে চলতে নিঃশ্ব মোনের কোনো এক খাঁজে বন্ধুত্বের জায়গাটি কখন যে তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে এ নিজের ও অজানা, শুরু হয় বন্ধুত্ব। কালো ধোঁয়া মাখা জীবনের মাঝে প্রবেশ করে এক অমূল্য বন্ধুত্ব, যে বন্ধুত্ব দাড়িপাল্লায় মাপা সম্ভব নয়, কিছুটা খুনসূটি কিছুটা রাগ অভিমানে মিলেমিশে সেই বন্ধুত্ব আজ আমার হৃদয় কোঠায় এক গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। অনলাইনে তার উপস্থিতি ক্ষনে ক্ষনে এক আনন্দের জোয়ার তোলে মনে, যখন সে অফলাইন তখন আনন্দের জোয়ারে কিছুটা হলেও ভাটার সৃষ্টি হয়। অপেক্ষা থেকে অপেক্ষারত জীবনে মিষ্টি বন্ধুর জন্য এক আলাদা গুরুত্ব বারবার শোভা পায়, ফোনের কললিষ্ট এ তার নম্বরের ওপর ই ঘন ঘন আঙুল যায়, চাতক পাখির ন্যায় মনের চাওনি হয়ে ওঠে ফোনের মাঝে কখন তার নামটা ভেসে উঠবে। ভাবতে ভালোলাগে রোজ রাতে তার ডিনার না করার বাহানা গুলো, বন্ধুত্বের অধিকার থেকে বারবার তাকে কিছুটা অধিকার দেখানোর কথাও মনে আসে। এত কিছুর পরেও এ...

মধ্যবিত্ত জীবন

Image
ঘরির কাটা নয় ছুঁই ছুঁই। সুবীর বাবু তখনো বারান্দায় তার প্রিয় চেয়ার টি তে বসে পেপারের পাতাগুলি উলটে চলেছেন। ইতিমধ্যে তেনার পেপারটি এক দুই বার পড়া হয়ে গেছে, পাশে খালি চায়ের কাপটার দিকে ওনার ঘন ঘন তাকানোটাই পরিষ্কার করে দিচ্ছে তার মধ্যবিত্ত জীবনের এ যেন এক বড়ো প্রেম। ঘরির কাটা নয়ের ঘর ছুঁতেই হঠাৎ মুখার্জি গিন্নীর এক প্রচন্ড হাঁক ভেসে আসে সুবীর বাবুর কানে, সুবীর বাবু তৎক্ষণাৎ ওখান থেকে উঠে ঘরের ভিতরে, কেননা মুখার্জি গিন্নীর হাঁককে অগ্রাহ্য করার সাধ্য সুবীর মুখার্জি নামক ভদ্রলোকের ছিল না। সুবীর বাবু ঘরে এসে তেল আর গামছা টা নিয়ে সোজা স্নান ঘরের দিকে পা বাড়ালেন, তিনি অফিসে কাজ করে পয়সার যোগান দিলেও বাড়িতে যে ওনার স্ত্রী ই বাড়ির মালিক সেটা না বল্লেও চলে। শান্ত স্বভাবের ভদ্রলোক হয়তো বিয়েতে যৌতুক হিসাবে তার স্ত্রীর মেজাজ চিৎকার এসব কেই সঙ্গে নিয়ে এসেছেন। অবশেষে স্নান সেরে কাঁপতে কাঁপতে মানুষটি বেড়িয়ে এলেন, ইতিমধ্যে মুখার্জি গিন্নী টেবিলে ওনার মধ্যবিত্ত খাওয়ার মেনু সাজিয়ে রেখেছেন। সুবীর বাবু ফিটফাট হয়ে অফিসের পোষাক গায়ে চাপিয়ে খাওয়ার টেবিলে বসে পড়লেন, খাওয়া দাওয়া সেরে...

অন্তহীন ভালোবাসা

Image
তখন সন্ধ্যা ৭ টা হঠাৎ করে ঝমঝম বৃষ্টির শব্দে সুমনের ঘুম ভেঙ্গে গেল। ফরেস্ট অফিসের কর্মী সুমন সারাদিন কর্ম ব্যস্ততার পর দুপুরে একটু জিরিয়ে নিচ্ছিলো এই আর কি। যাই হোক ঘুম থেকে উঠে হাতের কাছে রাখা মোমবাতিটা জ্বালাতে যাবে এমন সময় জানালার পাশে কাউকে একটা চোখে পরে, সুমন উচ্চস্বরে চেঁচিয়ে তার পরিচয় জানতে চায়। আসলে ফরেস্ট বাংলোর কাছাকাছি জঙ্গলে অনেক ই চোরাচালান দের আবির্ভাব দিন দিন বেড়ে উঠেছিল। সুমনের প্রশ্নের উত্তর তবে ভেসে এলো, "আমি বাবু দয়া করিয়া দরজাটা খুলিবেন"। গলাটা সুমনের ঠিক চেনা না লাগার দরুন ইতস্তত মুখেই দরজাটা খুলতে এগোলো, দরজা খুলে সুমন লোকটিকে ভিতরে আসার আহ্বান জানালো লোকটিও তার  আহ্বানে সারা দিয়ে ভেতর এগিয়ে এলেন। "বলুন কে আপনি কি দরকার আমার সাথে"।"আমি বিরটপুর গাঁ থেকে আসছি, বিরটপুর নাম টা শুনতেই যেন সুমনের চোখে এক বিরাট অশ্রুর স্রোত খেলে গেল। স্হিত গলায় সুমন জিজ্ঞেস করলো" তা কি দরকার আমার সাথে "।" কাল মুনিয়ার জন্মদিন তাই আপনাকে নিমন্ত্রণ জানাইতে আসিয়াছি মা ঠাকরুনের অনুরোধ আপনি কাল অবশ্যই যাইবেন"। এই বলে লোকটাও সেই স্থা...

না বলা কথা পর্ব ২ Na bola kotha part 2

Image
না বলা কথা পর্ব ২ বেলা গড়িয়ে তখন সকাল এগারো টা, স্টেশনের একবারে বাইরের গেটের সামনে গাড়িটি ব্রেক কোষলো। দরজা টা খুলে রিমি নামতে যাবে এমন সময় তার পরনে থাকা ওরনাটার স্বল্প টানে সে মুখ ঘুরিয়ে গাড়ির দরজায় বেধে যাওয়া ওরনাটিকে ছাড়িয়ে, সামনের সিটে রাখা তার প্রিয় স্কুলব্যাগ টি নিয়ে স্টেশনের ভিতরের দিকে অগ্রসর হয়। পিছনে তার বাবা মা লাগেজের বেগটি ধরে তার পিছু স্টেশনের মধ্যে প্রবেশ করেন। দেখতে দেখতে তিন নম্বর প্ল্যাটফর্ম টায় ভিড়ের ব্যস্ততার মাঝে এসে দাঁড়ায় তাদের অন্য শহরে পাড়ি দেওয়ার সাথী। রিমি আর দেরি না করে তার বাবা মায়ের সাথে ট্রেনের মধ্যে প্রবেশ করে, জানালার ধারে রাখা রিজার্ভ সিট দখল করে অজানা শহরে পৌঁছানোর প্রতিক্ষনে। অবশেষে ট্রেনের চেনা হর্ন পড়ার সাথে সাথে রিমির মনে বেজে ওঠে এই শহরের বিদায়ী ঘন্টা। আসতে আসতে রেললাইনের দুটি পাতের মধ্যে দিয়ে স্টেশন ছাড়িয়ে এগিয়ে যেতে থাকে ট্রেনটি, আর তখনো তাদের স্টেশনে পৌঁছে দেওয়া ভাড়া গাড়িটির চালকের আসন টা টিপ টিপ চোখের জলে ভিজতে থাকে। চালকের আসনে বসে থাকা মানুষটির চোখের জল কে  পাত্তা না দিয়েই নিজের অজান্তে রিমি আজ অন্য শহরের...

মজাদার অবিশ্বাস

Image
😂😂   মজাদার অবিশ্বাস 😂😂 ছেলেটা সবে বোতলের ঢাকনা টা খুলতে যাবে এমন সময় তার মা পেছন থেকে এসে কানটি মুলে ধরেই দু ঘা লাগিয়ে দিল। "এত নিচে নেমে গেছিস তুই? ছিঃ ছিঃ ছিঃ এই বয়সে তোর হাতে কিনা এসব।     এই বলে আরও দু ঘা পিঠে সজোরে পড়ে গেল।   ছেলেও মায়ের বাধ্য ছেলে, মুখে টু শব্দ না করে মাথা নামিয়ে ঘরের ভিতরে ঢুকে গেল।  মা বোতলটি তৎক্ষণাৎ তুলে বাইরের রাস্তার দিকে রেখে দিলেন । সেই সময়ে সেই রাস্তা দিয়ে এক বোতল প্রিয় মানুষ পের হচ্ছিল যাই হোক হাতের কাছে এত সুস্বাদু পানীয় প্রত্যাখ্যান করার সাধ্য তার ছিলনা😂😂😂। সে বোতলটি তুলে রীতিমত আনন্দের সহিত পানীয় টি পান করলো। মুখে পড়তেই এক অন্যরকম স্বাদ বেড়িয়ে এল। লোকটি কিছু বুঝে উঠতে না পেরে সেই স্থান প্রস্থান করিল😂😂।     এদিকে ছেলেটির বাবা কিছু যেন একটা খুঁজে না পেয়ে অস্থির হয়ে উঠলো, বাইরে ক্যাচরা বিক্রেতা কে দাঁড় করিয়ে রীতিমত তার স্ত্রী কে ধমক দিতে লাগলো। ছেলেটির মাথায় কিছু ঢুকলো না।😮    অবশেষে বেড়িয়ে এল সেই বোতলের গল্প তা শুনে রীতিমত রক্ত চক্ষু হয়ে গেল ছেলের বা...