Posts

না বলা কথা পর্ব ২ Na bola kotha part 2

Image
না বলা কথা পর্ব ২ বেলা গড়িয়ে তখন সকাল এগারো টা, স্টেশনের একবারে বাইরের গেটের সামনে গাড়িটি ব্রেক কোষলো। দরজা টা খুলে রিমি নামতে যাবে এমন সময় তার পরনে থাকা ওরনাটার স্বল্প টানে সে মুখ ঘুরিয়ে গাড়ির দরজায় বেধে যাওয়া ওরনাটিকে ছাড়িয়ে, সামনের সিটে রাখা তার প্রিয় স্কুলব্যাগ টি নিয়ে স্টেশনের ভিতরের দিকে অগ্রসর হয়। পিছনে তার বাবা মা লাগেজের বেগটি ধরে তার পিছু স্টেশনের মধ্যে প্রবেশ করেন। দেখতে দেখতে তিন নম্বর প্ল্যাটফর্ম টায় ভিড়ের ব্যস্ততার মাঝে এসে দাঁড়ায় তাদের অন্য শহরে পাড়ি দেওয়ার সাথী। রিমি আর দেরি না করে তার বাবা মায়ের সাথে ট্রেনের মধ্যে প্রবেশ করে, জানালার ধারে রাখা রিজার্ভ সিট দখল করে অজানা শহরে পৌঁছানোর প্রতিক্ষনে। অবশেষে ট্রেনের চেনা হর্ন পড়ার সাথে সাথে রিমির মনে বেজে ওঠে এই শহরের বিদায়ী ঘন্টা। আসতে আসতে রেললাইনের দুটি পাতের মধ্যে দিয়ে স্টেশন ছাড়িয়ে এগিয়ে যেতে থাকে ট্রেনটি, আর তখনো তাদের স্টেশনে পৌঁছে দেওয়া ভাড়া গাড়িটির চালকের আসন টা টিপ টিপ চোখের জলে ভিজতে থাকে। চালকের আসনে বসে থাকা মানুষটির চোখের জল কে  পাত্তা না দিয়েই নিজের অজান্তে রিমি আজ অন্য শহরের...

মজাদার অবিশ্বাস

Image
😂😂   মজাদার অবিশ্বাস 😂😂 ছেলেটা সবে বোতলের ঢাকনা টা খুলতে যাবে এমন সময় তার মা পেছন থেকে এসে কানটি মুলে ধরেই দু ঘা লাগিয়ে দিল। "এত নিচে নেমে গেছিস তুই? ছিঃ ছিঃ ছিঃ এই বয়সে তোর হাতে কিনা এসব।     এই বলে আরও দু ঘা পিঠে সজোরে পড়ে গেল।   ছেলেও মায়ের বাধ্য ছেলে, মুখে টু শব্দ না করে মাথা নামিয়ে ঘরের ভিতরে ঢুকে গেল।  মা বোতলটি তৎক্ষণাৎ তুলে বাইরের রাস্তার দিকে রেখে দিলেন । সেই সময়ে সেই রাস্তা দিয়ে এক বোতল প্রিয় মানুষ পের হচ্ছিল যাই হোক হাতের কাছে এত সুস্বাদু পানীয় প্রত্যাখ্যান করার সাধ্য তার ছিলনা😂😂😂। সে বোতলটি তুলে রীতিমত আনন্দের সহিত পানীয় টি পান করলো। মুখে পড়তেই এক অন্যরকম স্বাদ বেড়িয়ে এল। লোকটি কিছু বুঝে উঠতে না পেরে সেই স্থান প্রস্থান করিল😂😂।     এদিকে ছেলেটির বাবা কিছু যেন একটা খুঁজে না পেয়ে অস্থির হয়ে উঠলো, বাইরে ক্যাচরা বিক্রেতা কে দাঁড় করিয়ে রীতিমত তার স্ত্রী কে ধমক দিতে লাগলো। ছেলেটির মাথায় কিছু ঢুকলো না।😮    অবশেষে বেড়িয়ে এল সেই বোতলের গল্প তা শুনে রীতিমত রক্ত চক্ষু হয়ে গেল ছেলের বা...

না বলা কথা

Image
ব্যস্ত শহরের কর্ম ব্যস্ততার মাঝে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা এক ছোট্ট গ্যারেজ। সেই গ্যারেজেই কর্মরত অবস্থায় সুমন, নানা অভাব অনটনের মধ্যে অতিবাহিত হওয়া সুমন গ্যারেজের কালো ধোঁয়ার মাঝে হাতে কালির দাগ লাগিয়ে ক্রমাগত নিজের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে থাকে। গ্যারেজের কাজের শেষে কলেজের প্রিয় বেঙ্চের ডাকে এক ছুটে কলেজের পথে, এই ছিল তার জীবন। তার এই কষ্ট সহিষ্ণ জীবনের মাঝে এক রাজকুমারীর বেশে প্রবেশ করে রিমি। তাদের মধ্যে তফাত টা আকাশ পাতালের, রিমি এক স্বাচ্ছন্দ্য পরিবারের মেয়ে তার বাবা একজন পুলিশের কর্তা। সুমনের কলেজেই অ্যাডমিশন নেয় রিমি, যদিও সে সুমনের থেকে জুনিয়র ক্লাসে। দেখতে দেখতে সুমনের চোখের নির্মম ফোকাসে ধরা পড়ে রিমির সৌন্দর্যতা, সেই সৌন্দর্যতা কে অগ্রাহ্য করার সাধ্য সুমনের ছিল না। শ্রেনীকক্ষ আলাদা হওয়ার দরুন রিমির কলেজের ক্লাস একটু আগেই শুরু হতো সুমনের ক্লাসের থেকে। রিমির কলেজ যাওয়ার রাস্তাটাও ছিল সেই ভাঙাচোরা গ্যারেজ টার পাশ দিয়েই, যেই গ্যারেজে প্রতিনিয়ত ঘাম ঝরিয়ে সুমন নিজের কলেজের পড়াশোনার ফিস জোগাতো।         প্রত্যেক দিন রিমির কলেজে যাওয়ার সম...

ভালো থাকিস তুই

ভালো থাকিস তুই... যেখানেই থাকিস ভালো থাকিস...... 

Journey is started

Image
My journey start here